মাৎস্যন্যায় কি

তিব্বতি ঐতিহাসিক লামা তারানাথ এর বিবরণ অনুযায়ী গৌড়ের রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর(637 খ্রিস্টাব্দে) পর বাংলার রাজনৈতিক ঐক্য বিনষ্ট হয়। যোগ্য শাসকের অভাবে 100 বছরের অধিক সময় ধরে বাংলাদেশে এক চরম অরাজকতা সৃষ্টি হয়।

মাৎস্যন্যায়-কি



বাংলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় বৈদেশিক আক্রমণ, যা বাঙালির জীবনকে শোচনীয় করে তুলেছিল। এই অবস্থায় পুকুরের বড়ো মাছ যেমন ছোট মাছকে গিলে ফেলে, তেমনি বাংলার জনজীবনের দুর্বলেরা সবলদের দ্বারা অত্যাচারিত হতে থাকে। তদানীন্তন বাংলার এই অরাজকতা পরিস্থিতিতে মাৎস্যন্যায় বলা হয়।

ধর্মপালের খালিমপুর তাম্রশাসন থেকে জানা যায় যে, মাৎসন্যায় অবসান ঘটানোর জন্য বাংলার প্রকৃতিপুঞ্জ অর্থাৎ জনসাধারণ গোপালকে রাজা হিসাবে নির্বাচিত করে সিংহাসনে বসায়। সিংহাসনে বসে পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল মাৎসন্যায়ের অবসান ঘটিয়ে বাংলার শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন।



তথ্যসূত্র

  1. Sudipa Bandyopadhyay, "Architectural Motifs in Early Mediaeval Art of Eastern India: (Pala-Sena Period)".
  2. Poonam Dalal Dahiya, "Ancient and Medieval India".

সম্পর্কিত বিষয়

  1. মধ্যপন্থা (আরো পড়ুন)
  2. জৈন ধর্মের বৈশিষ্ট্য (আরো পড়ুন)
  3. প্রাচীন ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য  (আরো পড়ুন)

Author of this post

Serina Khatun
About- তিনি বর্তমানে একজন ইতিহাসের ছাত্রী
Read more- (click here)

                        .................................


Previous Post Next Post