স্মৃতিকথা কাকে বলে এবং ইতিহাস রচনায় স্মৃতিকথার গুরুত্ব কি

জনশ্রুতির একটি অন্যতম উপাদান হলো - স্মৃতিকথার কোন ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি তাঁর অতীতের ঘটনাটি যে বিবরণ দেয়, তাকে স্মৃতিকথা বলে।

স্মৃতিকথা কাকে বলে এবং ইতিহাস রচনায় স্মৃতিকথার গুরুত্ব কি


📖স্মৃতিকথার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বিবরণ দেওয়া হল-

👉জ্যোতি বসুর স্মৃতিকথা- পশ্চিমবাংলায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর স্মৃতি কথা মূলক গ্রন্থটি হল- যতদূর মনে পড়ে। এই গ্রন্থ থেকে ইংরেজ শাসন, ভারতবাসীর উপর অত্যাচার, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও স্বাধীন ভারতের রাজনৈতিক ঘটনার সম্পর্কে ঐতিহাসিক বিবরণ পাওয়া যায়।

👉আশালতা সরকারের স্মৃতিকথা- বিপ্লবী সরকারের স্মৃতিকথা মূলক গ্রন্থটি হল- আমি সূর্য শীর্ষ। এই গ্রন্থ তাঁর ব্রিটিশ বিরোধী মানসিকতা সৃষ্টির কাহিনী, সূর্য সেন এর সঙ্গে তাঁর যোগদান, ইংরেজদের সঙ্গে সংগ্রাম, জেলখানায় তাঁর বন্দি প্রভৃতি কিছুই তাঁর জীবনের পরিচয় পাওয়া যায়। 

👉 নারায়ণ সান্যালের স্মৃতিকথা - বিখ্যাত সাহিত্যিক নারায়ণ সান্যালের স্মৃতিকথা হলো আমি নেতাজিকে দেখেছি। এই গ্রন্থে নেতাজীর জীবনে বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনা প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও গ্রন্থটিতে সুভাষচন্দ্র বসুর সম্পর্ক কিছু তথ্য পাওয়া যায়‌। 

👉মন্তিকুন্তলা সেনের স্মৃতিকথা- মন্তিকুন্তলা গ্রন্থটি হল সেদিন কথা, এই গ্রন্থটি কলকাতার দাঙ্গার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক উপাদান। এছাড়াও হিন্দু ও মুসলিম এর মিছিলের যোগদান দিতে গিয়ে সবাই অনুমান করেছিল। মিছিল যতই এগোতে থাকে ততই লুটপাট বাড়তে থাকে।

👉সুফিয়া কামালের স্মৃতিকথা- বর্তমান বাংলাদেশের বিখ্যাত বকবি সুফিয়া কামালের স্মৃতি কথা হল একাত্তরের ডায়েরী। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তির যুদ্ধের সময় পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব বাংলার মানুষের উপর যে নির্মম অত্যাচার চালিয়েছিল তার খন্ড খন্ড চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

📜স্মৃতিকথার বৈশিষ্ট্য

  • প্রথমত- স্মৃতিকথা হলো প্রকৃতপক্ষে অতীতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা। 
  • দ্বিতীয়ত- স্মৃতিকথা হলো লেখকের নিজস্ব অনুভূতি। 
  • তৃতীয়ত- স্মৃতিকথা হলো কোন কাল্পনিক উপন্যাস নয়, এটি একটি বাস্তব চিত্র।

স্মৃতিকথা কাকে বলে এবং ইতিহাস রচনায় স্মৃতিকথার গুরুত্ব কি


📖ইতিহাস রচনায় স্মৃতিকথার গুরুত্ব-

👉প্রথমত- স্মৃতিকথাগুলো থেকে অতীতকালের অনেক অজানা তথ্য পাওয়া যায়। 

👉দ্বিতীয়ত- গৃহযুদ্ধ, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যখন সংবাদের মাধ্যমে স্বাধীনতা থাকে না, তখন স্মৃতিকথা গুলো থেকে ওই সময়ের অবস্থা জানা যায়।

👉 তৃতীয়ত- বিভিন্ন স্মৃতিকথায় বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার মূল্যবান তথ্য হিসেবে কাজ করতে পারে 


পরিশেষে বলা যায় যে, যেখানে লিখিত ইতিহাস পৌঁছাতে পারে না, সেখানে স্মৃতিকথার প্রয়োজন। স্মৃতিকথার গুরুত্বপূর্ণ, তবে তা সতর্কতার সঙ্গে গ্রহণ করতে হবে।


📜সম্পর্কিত বিষয়

    সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আশাকরি আমাদের এই পোস্টটি আপনার ভালো লাগলো। আপনার যদি এই পোস্টটি সম্বন্ধে কোন প্রশ্ন থাকে, তাহলে নিচে কমেন্টের মাধ্যমে আমাদেরকে জানাতে পারেন এবং অবশ্যই পোস্টটি শেয়ার করে অপরকে জানতে সাহায্য করুন।
                       .......................................

      নবীনতর পূর্বতন
      👉 আমাদের অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ- ক্লিক করুন 🙋‍♂️
      
          
        
        
          👉 আমাদের ফেসবুক গ্রুপ- ক্লিক করুন 🙋‍♂️
        
      
      
        
      
         
        
        
          👉 আমাদের ফেসবুক পেজ -ক্লিক করুন 🙋‍♂️
      
      
          👉 অনলাইনে মক টেস্ট দিন- ক্লিক করুন 📝📖 
      
      
      👉 আজকের দিনের ইতিহাস - ক্লিক করুন 🌐 🙋‍♂️
      
      
      
      
      👉 ইতিহাসের PDF বই 📖- ক্লিক করুন 🌐 🙋‍♂️
      
      
          
        
                 
      

      টেলিগ্রামে যোগ দিন ... পরিবারের সদস্য

      
      
      
           
                      
                      
      
      
      

      টেলিগ্রামে যোগ দিন ... পরিবারের সদস্য


       


       

      
      

      👉নীচের ভিডিওটি ক্লিক করে জেনে নিন আমাদের ওয়েবসাইটটির ইতিহাস সম্পর্কিত পরিসেবাগুলি 📽️

      
      
      

      👉 জেনে আপনি আমাদের প্রয়োজনীয় পরিসেবা 📖

      👉ক্লিক করুন 🌐