জোলভেরাইন কিভাবে জার্মান জাতীয়তাবাদকে উদ্বুদ্ধ করেছিল

1834 সালের প্রাশিয়ার নেতৃত্বে গঠিত জার্মান রাষ্ট্র সংঘের নাম "জোলভেরাইন"| পূর্বে বিভিন্ন জার্মান রাজ্য নানা ধরনের এবং পৃথক পৃথক আমদানি ও রপ্তানি প্রচলিত ছিল| এতে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নানা অসুবিধা দেখা দিত|

নবগঠিত এই শুল্কের সঙ্গে যোগদানকারী জার্মান রাজ্যগুলি বিনাশুল্কে বা নামমাত্র শুল্কে নিজেদের মধ্যে অবাধ বাণিজ্য চালাতো এবং এরফলে বাণিজ্যিক দিক থেকে তারা যথেষ্ট লাভবান হয়| 1850 সালের মধ্যে অস্ট্রিয়া ব্যতীত জার্মানির সকল রাজ্যই এই শুল্ক সংঘে যোগদান করে|

জোলভেরাইন
জার্মানির মানচিত্র


মূলত অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যে গঠিত হলেও এর রাজনৈতিক গুরুত্ব ছিল অপরিসীম| জার্মানির বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে পারস্পরিক আদান-প্রদান ও যোগাযোগের ফলে তাদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ বৃদ্ধি পায়|অর্থনৈতিক ঐক্য রাজনৈতিক ঐক্যের পথ প্রশস্ত করে|

অর্থনৈতিক নেতৃত্বের মাধ্যমে প্রাশিয়া জার্মানির রাজনৈতিক নেতৃত্বের যোগ্যতা অর্জন করে| তাই একথা নিসন্দেহে বলা যায় যে, 1871 সালে স্থাপিত জার্মান সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেছিল জোলভেরাইন| অধ্যাপক হেজ এর মতে, জোলভেরাইন হলো জার্মানির রাজনৈতিক ঐক্যের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক পদক্ষেপ|


তথ্যসূত্র

  1. অধ্যাপক গোপালকৃষ্ণ পাহাড়ি, "ইউরোপের ইতিবৃত্ত"
  2. Peter Watson, "The German Genius".

সম্পর্কিত বিষয়

সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ| আশাকরি আমাদের এই পোস্টটি আপনার ভালো লাগলো| আপনার যদি এই পোস্টটি সম্বন্ধে কোন প্রশ্ন থাকে, তাহলে নিচে কমেন্টের মাধ্যমে আমাদেরকে জানাতে পারেন এবং অবশ্যই পোস্টটি শেয়ার করে অপরকে জানতে সাহায্য করুন|
                     .......................................

    Need Help..?

    Ask Questions - (click here)

    Mock Test

    Visit our Mock Test Episodes - (click here)

    Share this post with your friends

    Like and support our Facebook page
    Previous
    Next Post »